‘এইচওয়ানবি’ ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সুযোগ হারাচ্ছেন অভিবাসীরা

25

অপেক্ষা শুধু হোয়াইট হাউসের সিলমোহরের। এইচওয়ানবি ভিসায় প্রস্তাবিত পরিবর্তন আনা হবে তার পরেই। সে ক্ষেত্রে বিপাকে পড়বেন এ ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি দেওয়া কমপক্ষে ৯০ হাজার বিদেশির স্ত্রী বা স্বামীরা। ফলে বিশ্বের অন্যান্য দেশের অভিবাসীদের মতো বাংলাদেশিরাও হারাবেন এ ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে থাকার বৈধতা।

স্বামী বা স্ত্রী এইচওয়ানবি ভিসায় কাজ করলে, তাদের স্ত্রী বা স্বামীরাও এতদিন এইচ-৪ ভিসায় আমেরিকায় চাকরি করতে পারতেন। নতুন নিয়মে সেই সুযোগ আর পাবেন না তারা।

গত বুধবার হোমল্যান্ড সিকিউরিটি থেকে হোয়াইট হাউসের ‘অফিস অব ম্যানেজমেন্ট ফর বাজেট’-এ এই সংক্রান্ত কাগজপত্র পাঠানো হয়েছে। হোয়াইট হাউস চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিলে নির্দেশিকা জারি হবে। তার আগে একাধিক দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে দেখবে হোয়াইট হাউস।

বিষয়টি মিটতে কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস লাগতে পারে বলে জানিয়েছে ‘ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস’। মার্কিন আইন অনুযায়ী, হোয়াইট হাউস ছাড়পত্র দিলে ৩০ দিনের ব্যবধানে ফেডারেল রেজিস্টারে নতুন নিয়মটি নথিভুক্ত করা হয়। এই পরিবর্তন-প্রস্তাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুমতি রয়েছে বলেই জানা গেছে। ফলে হোয়াইট হাউসের ছাড়পত্র পেতে বিশেষ বেগ পেতে হবে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

যদিও সিলিকন ভ্যালির সংস্থাগুলি ডেমোক্র্যাট সিনেটর কমলা হ্যারিস নয়া নিয়মের বিরোধিতা করছেন। তার বক্তব্য, এই পরিবর্তন পুরোপুরি নারী-বিরোধী। এতে এইচওয়ানবি ভিসায় কর্মরত ব্যক্তিদের স্ত্রী বা স্বামীরা যথেষ্ট যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও আমেরিকায় কাজ করতে পারবেন না।

‘সেভ জবস ইউএস’ নামে একটি সংস্থা এইচওয়ানবি ভিসায় বদলের দাবিতে কলম্বিয়ার আদালতে আবেদন জানিয়েছিল। বিচারপতি শ্রী শ্রীনিবাসন-সহ তিন সদস্যের বেঞ্চে ওঠে মামলাটি। এক মাসের বেশি শাটডাউন চলায় আদালতের কাছে সময় চায় হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ। ধীর গতিতে মামলা চলায় হতাশ ‘সেভ জবস ইউএস’ নামে সংগঠনটি।