কারাগারে পাঠানো হলো আলোকচিত্রী শহিদুলকে

0
57
কারাগারে পাঠানো হলো আলোকচিত্রী শহিদুলকে
কারাগারে পাঠানো হলো আলোকচিত্রী শহিদুলকে

আদালতে শহিদুল আলমকে হাজির করে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে দায়ের করা মামলায় আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলমকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

১২ আগস্ট, রবিবার সন্ধ্যায় রিমান্ড বিষয়ে এক আবেদনের শুনানি করে ঢাকার মহানগর হাকিম ফাহাদ বিন আমিন চৌধুরী এ আদেশ দেন।

আদালতে শহিদুল আলমকে হাজির করে এ মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) ও পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক আরমান আলী। পরে তার আবেদনটি মঞ্জুর করে শহীদুলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত।

এর আগে শহিদুল আলমকে সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেয় আদালত। এর মেয়াদ শেষ হয় রবিবার।

৫ আগস্ট, রবিবার সন্ধ্যায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে কাতারভিত্তিক টেলিভিশন আলজাজিরার সঙ্গে কথা বলেন দৃক গ্যালারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান শহিদুল আলম। এর কয়েক ঘণ্টা পর তাকে রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে আটক করে পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যরা।

ওই সাক্ষাৎকারে মিথ্যা তথ্য দিয়ে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা হয়েছে দাবি করে ডিবির (উত্তর) পরিদর্শক মেহেদী হাসান বাদী হয়ে শহিদুলের নামে রমনা থানায় ৬ আগস্ট, সোমবার আইসিটি আইনে একটি মামলা করেন।

একই দিনে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এই আলোকচিত্রীকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মো. আসাদুজ্জামান নূর সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলায় শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি অভিযোগ আনা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ‘কল্পনাপ্রসূত তথ্যের’ মাধ্যমে জনসাধারণের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে ‘মিথ্যা প্রচার’ চালানো, উসকানিমূলক তথ্য উপস্থাপন, সরকারকে ‘প্রশ্নবিদ্ধ ও অকার্যকর’ হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে উপস্থাপন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ‘অবনতি ঘটিয়ে’ জনমনে ‘ভীতি ও সন্ত্রাস ছড়িয়ে’ দেওয়ার ষড়যন্ত্র এবং তা বাস্তবায়নে ইলেকট্রনিক বিন্যাসে ‘অপপ্রচার’।

LEAVE A REPLY