তিন দিনের ম্যাচেও লজ্জার অপেক্ষা!

23

দু’দিন বৃষ্টিতে ভেসে গেলেও ফল আসবে; আশার কথাটি শুনিয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ স্টিভ রোডস। টাইগারদের পক্ষে ফল আসার স্বপ্ন দেখেছিলেন তিনি। কিন্তু বাংলাদেশের সামনে অপেক্ষা করছে লজ্জা। হারের লজ্জা তো বটেই। তিন দিনের টেস্টে ইনিংস পরাজয়ের ভয়ও চোখ রাঙাচ্ছে। মিঠুন-সৌম্য কিংবা মাহমুদুল্লাহ-লিটন লজ্জা মুক্তির ভার কাঁধে নিলে ভিন্ন কথা।

ওয়েলিংটন টেস্টে চতুর্থ দিন শেষে বাংলাদেশের ইনিংস পরাজয় ঠেকাতে করতেহবে এখনও ১৪১ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেট হারিয়ে ৮০ রান তুলেছে মাহমুদুল্লাহর দল। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ফিরে যান তামিম। এরপর মুমিনুল এবং সাদমান সাজঘরের পথ ধরেন। মিঠুন ২৫ এবং সৌম্য ১২ রানের শেষ দিন শুরু করবেন।

এর আগে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করে বাংলাদেশ ২১১ রানে অলআউট হয়। দুই ওপেনার তামিম-সাদমান পড়েন ৭৫ রানের জুটি। তারপরও ব্যাটিং বিপর্যয় হয় দলের। তামিম ৭৪, সাদমান ২৭ এবং লিটন ৩০ রান করে আউট হন। পরে অবশ্য বাংলাদেশ শুরুর ৮ রানে নিউজিল্যান্ডের দুই ওপেনারকে তুলে নেন। কিন্তু রস টেইলরের ডাবল সেঞ্চুরি বাংলাদেশ দলের বোলারদের আর ঘুরে দাঁড়াতে দেয়নি।

তিনি খেলেন পুরোপুির দুইশ’ রানের ইনিংস। এছাড়া হেনরি নিকোলাস সেঞ্চুরি করে আউট হন। কিউইরা ৬ উইকেটে ৪৩২ রান তুলে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে। লিড দেয় ২২১ রানের। এর আগে বেসিন রিজার্ভে তৃতীয় দিনেরও শেষটায় বৃষ্টি হানা দেয়। একদম শেষ বিকালের বোলিং সুবিধা তাই নেওয়া হয়নি বাংলাদেশের। তবে দিন শেষে ৩৮ রানে স্বাগতিকদের দুই উইকেট তুলে নিয়েছেন আবু জায়েদ। তার বলে চতুর্থ দিনের শুরুতে অবশ্য ক্যাচ ফেলে দল।

কিউইদের হয়ে প্রথম ইনিংসে ওয়াগনার নেন ৪ উইকেট। বোল্ট দখল করেন তিন উইকেট। এছাড়া সাউদি একটি এবং কলিন ডি গ্রান্ড হোম ও ম্যাট হেনরি একটি করে উইকেট নেন। বাংলাদেশের হয়ে প্রথম ইনিংসে জায়েদ নেন ৩ উইকেট। তাইজুল দুটি এবং মুস্তাফিজ এক উইকেট পান।

বৃষ্টির কারণে প্রথম দু’দিন বেসিন রিজার্ভে টসই হয়নি। সেই হতাশার চেয়ে টস বেশি ধাক্কা হয়ে এসেছে মাহমুদুল্লাহদের জন্য। কারণ দু’দিনের বৃষ্টিতে ভেজা উইকেটে টস হেরে ব্যাট করতে হয় বাংলাদেশ দলকে। সামলাতে হয় কিউই বোলারদের দুর্দান্ত পেস-বাউন্সের সঙ্গে সুইং। কিন্তু ওপেনাররা সেটা সামলাতে পারলেও পারেননি টপ অর্ডার এবং মিডল-লোয়ার অর্ডারের অন্যরা।