নাম না জানা এই মেয়েটির ছবি টুইটারে ভাইরাল হয়ে উঠেছে।

নেপালি এই মেয়েটি স্থানীয় এক বাজারে সবজি বিক্রি করেন – তার সবজি বহন করা ও বিক্রি করার ছবি এখন ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে।

টুইটারে নেপালি এই মেয়েটির ছবি শেয়ার করে যারা মন্তব্য করছেন, তাদের বেশিরভাগই মূলত পুরুষ। নেপালের প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে এই ছবিটি প্রচুর শেয়ার করা হচ্ছে।

অনেক পুরুষ এমন মন্তব্য করেছেন যে এই সবজিওয়ালি তার সৌন্দর্য দিয়ে ইন্টারনেট মাত করে দিয়েছেন।

সব্যসাচী পুহান নামে একজনের মন্তব্য এমন – “সৌন্দর্য আর কঠিন পরিশ্রম এই দুটোর ফসল হলো নেপালের সবজিওয়ালি। সোশ্যাল মিডিয়ার খ্যাতি জিন্দাবাদ”।

দেশী বান্দা নামে একজন তাঁর টুইটারে লিখেছেন – “কদিন আগে ইন্টারনেটে হাজার হাজার মেয়ে পাকিস্তানের চা-ওয়ালাকে নিয়ে আলোড়ন তুলেছিল, এবার সময় ছেলেদের অপরূপ সৌন্দর্যের অধিকারী নেপালের এই সবজিওয়ালিকে নিয়ে ইন্টারনেটে আলোড়ন তোলার”।

অনেকের ভাষ্যমতে, নেপালি এই সবজিওয়ালি ইন্টারনেটের নতুন সেনসেশানে পরিণত হয়েছেন।

“মিট দ্য#নেপালি #তরকারিওয়ালি” নামে এখন টুইটারে নেপালের সবজিওয়ালির ছবি পোস্ট হচ্ছে।

নেপালি সবজি বিক্রেতা
নেপালের নাম না জানা এই মেয়েটি স্থানীয় বাজারে সবজি বিক্রি করেন, তার সবজি বহন করা ও বিক্রি করার ছবি এখন ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর বাইরে থেকেও টুইটারে অনেকে মন্তব্য করেছেন।

স্টুয়ার্ট ফ্রিডম্যান নামের একজন লন্ডন থেকে এই ছবিটি টুইটারে শেয়ার করে নেপালের সকল ভাইবোনদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

কিছুদিন আগেই পাকিস্তানের চা-ওয়ালা আরশাদ খানকে নিয়ে ইন্টারনেটে ছিল ব্যাপক আলোচনা, সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার প্রেক্ষাপটে পোশাক মডেলও হয়ে গেছেন সেই চা-ওয়ালা।

আর এবার নেপালি এই সবজিওয়ালিকে ইন্টারনেটে আলোড়ন তোলার পর অনেকে টুইটারে এমন আশাও প্রকাশ করেছেন যে চা-ওয়ালা ও সবজিওয়ালিকে দেখার পরে মানুষ এঁদের পেশাকে সম্মান জানাতে শিখবেন।

কেউ কেউ আবার মজা করে চা-ওয়ালা আর সবজিওয়ালির বিয়ে দিয়ে দেওয়ারও পরামর্শ দিয়েছেন!

পাকিস্তানের চা-ওয়ালা আরশাদ খান
পাকিস্তানের ইসলামাবাদের চা-ওয়ালা আরশাদ খানের এই ছবিটি কিছুদিন আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল।

LEAVE A REPLY