বিএনপির সমাবেশে বাধা, মানবাধিকার সংগঠনগুলোর নিন্দা

0
124
বিএনপির সমাবেশে বাধা, মানবাধিকার সংগঠনগুলোর নিন্দা
বিএনপির সমাবেশে বাধা, মানবাধিকার সংগঠনগুলোর নিন্দা

ছাত্রদলের ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি এস এম মিজানুর রহমানকে নিয়ে পুলিশ ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি। জাতীয় প্রেসক্লাব এলাকা, ঢাকা, ৮ মার্চ। ছবি: প্রথম আলো
ছাত্রদলের ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি এস এম মিজানুর রহমানকে নিয়ে পুলিশ ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি। জাতীয় প্রেসক্লাব এলাকা, ঢাকা, ৮ মার্চ। ছবি: প্রথম আলো
জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপির কর্মসূচিতে বাধা দেওয়ায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ২০টি মানবাধিকার সংগঠনের জোট হিউম্যান রাইটস ফোরাম, বাংলাদেশ (এইচআরএফবি)। আজ রোববার এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ জানায় সংগঠনটি।

মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক ও এইচআরএফবির আহ্বায়ক শীপা হাফিজা এ বিবৃতি পাঠান।

৮ মার্চ জাতীয় প্রেসক্লাব এলাকায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কারাবাসের এক মাস পূর্তি উপলক্ষে এবং তাঁর মুক্তির দাবিতে বিএনপির নেতা-কর্মীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন।

বিবৃতিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে সাদাপোশাক পরা পুলিশের অতর্কিত আক্রমণ এবং ব্যাপক ধস্তাধস্তির পর টেনেহিঁচড়ে ছাত্রদলের ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি এস এম মিজানুর রহমানকে তুলে নেওয়ার জন্য পুলিশের বেপরোয়া আচরণের কথা উল্লেখ করে নিন্দা জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এ আচরণ সংবিধান পরিপন্থী। দায়িত্ব পালনরত পুলিশের মনে রাখতে হবে যে বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৭ ও ৩৯ অনুচ্ছেদে সমাবেশের অধিকার এবং চিন্তা ও মতপ্রকাশের অধিকারকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। আর এ অধিকার সুরক্ষা করার দায়িত্ব পুলিশ বাহিনীর, লঙ্ঘন করা নয়।

এইচআরএফবির বিবৃতিতে বলা হয়, ‘কর্মসূচির একেবারে শেষ পর্যায়ে সাদাপোশাকধারী পুলিশ সদস্যরা অতর্কিতে ছাত্রদলের ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি এস এম মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তারের প্রচেষ্টা চালান। এ প্রক্রিয়ায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে টেনেহিঁচড়ে মিজানুর রহমানকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। আমরা সাম্প্রতিক সময়ে বিএনপির বিভিন্ন শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশকে চড়াও হতে দেখছি।’

বিবৃতিতে বলা হয়, নাগরিকের অধিকারচর্চায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এরূপ আক্রমণাত্মক ভূমিকা অনাকাঙ্ক্ষিত এবং অগ্রহণযোগ্য।

LEAVE A REPLY