ভোট ডাকাতির চিহ্ন দেখছে বিএনপি

0
200
ভোট ডাকাতির চিহ্ন দেখছে বিএনপি
ভোট ডাকাতির চিহ্ন দেখছে বিএনপি

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটের শুরুতেই ৪০টি কেন্দ্র থেকে ধানের শীষের প্রার্থীর এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। আগে থেকেই ভোট ডাকাতির যে অভিযোগ করছিল, ভোটের শুরুতেই তার নিদর্শন ও চিহ্ন দেখছে বলেও জানায় দলটি।

১৫ মে, মঙ্গলবার সকাল পৌ‌নে ১১টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ এই অভিযোগ করেন।

রিজভী বলেন, ‘ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু জানিয়েছেন সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে পুলিশের সহায়তায় ৪০টি কেন্দ্র থেকে বিএনপির এজেন্টদের বের করে দিয়েছে। আমরা খবর পাচ্ছি, অধিকাংশ কেন্দ্রে এজেন্টরা ঢুকতে পারছে না। অতীতের মতো সেই একই স্বরুপ, একই সন্ত্রাসের পুনরাবৃত্তি।

ভোট ডাকাতির যে বিষয়টি আমরা অভিযোগ করেছি, ভোট গ্রহণ শুরুর পর থেকে ডাকাতির যে চরিত্র দেখছি–কেড়ে নেওয়া, বের করে দেওয়া, আটকিয়ে রাখা, রক্তাক্ত করা, ব্যালট বাক্স নিয়ে যাওয়া, ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানো, নারী এজেন্টদের হুমকি দেওয়া, এটা তো ডাকাতির নিদর্শন ও চিহ্ন দেখছি।’

অভিযোগ করে রিজভী বলেন, ‘আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নৌকার যারা এজেন্ট আছেন তাদেরকে নিরাপত্তা দিয়ে বলেছেন যে, আমরা বাইরে দাঁড়িয়ে আছি, আপনারা নৌকা মার্কায় সিল মারতে থাকেন। এখানে ভোটারদের সিল মারার চাইতে আপনার সিলমারা অব্যাহত রাখুন।’

খুলনার ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের ৫টি কেন্দ্র, নজরুল নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র, খালিসপুর ১৫ নং কেন্দ্র, ৩১ নং ওয়ার্ড কেন্দ্র, ১১ নং ওয়ার্ড কেন্দ্র, ২২ নং ওয়ার্ড কেন্দ্র, ২৬ নং ওয়ার্ড কেন্দ্র প্রভৃতি কেন্দ্র থেকে এজেন্টকে বের করে দেওয়া, মারধরসহ নানা ঘটনার চিত্র তুলে ধরেন বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা।

নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করে রিজভী বলেন, ‘গ্রিক মূর্তির মতো তারা নির্বাক হয়ে আছে। বিভিন্ন জেলা থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে খুলনায় মোতায়েন করা হয়েছে। তাদের সামনে থেকে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ভোটারদেরকে বাধা দিচ্ছে, ধানের শীষের এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দিচ্ছে, ভোটারদের ভয়-ভীতি দেখাচ্ছে, ভোটারদের ঢুকতে দিচ্ছে না।

এখন আপনারা উপলব্ধি করেন, সরকার কেন সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে চায় না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে ভোট করতে চায়। কারণ এই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শেখ হাসিনা যা বলবেন, সেটা অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে। যেমন ইসি শেখ হাসিনার কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করছে। তবু আমাদের প্রার্থী বলেছেন শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত আমাদের প্রার্থী বলেছেন, নির্বাচন থাকবেন। ভোটারা যদি সুযোগ পায় এই অন্যায়, এই জুলুমের জবাব দেবে।’

সংবাদ সম্মেলনে দলের কেন্দ্রীয় নেতা আবদুস সালাম আজাদ, তাইফুল ইসলাম টিপু, মুনির হোসেন প্রমুখ উপস্থিত

LEAVE A REPLY