মের বিরুদ্ধে ‘মন্ত্রিসভার অভ্যুত্থান’

0
44

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে-কে উৎখাতে খোদ তার নিজ মন্ত্রিসভার সদস্যরা অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্র করছেন। পাশাপাশি আগামী বছর নির্বাচনের আগ পর্যন্ত তার জায়গায় ‘অন্তর্বর্তী নেতা’ বাছাইয়ের কথাও ভাবছেন মন্ত্রিরা।

মন্ত্রিসভার সূত্রকে উদ্ধৃত করে ব্রিটিশ গণমাধ্যমগুলো গতকাল এ খবর দিয়েছে।

এর আগে ব্রেক্সিট বাস্তবায়নে দুই দফায় মের নেওয়া পরিকল্পনা সংসদ সদস্যরা ভোটাভুটিতে প্রত্যাখ্যান করেন। প্রথম দফায় তার চুক্তি প্রত্যাখ্যাত হলে মের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটও হয়েছিল যাতে তিনি টিকে যেতে সমর্থ হন। কিন্তু ২৯ মার্চ নির্ধারিত সময়সীমায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়া সফলভাবে নিশ্চিত করতে না পারায় এখন গদিচ্যুত হওয়ার মুখে মে। কিন্তু কনজারভেটিভ পার্টির অভ্যন্তরে কোনো ধরনের অভ্যুত্থানচেষ্টার খবর নাকচ করে দিয়েছে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর।

মের ওপর পদত্যাগের চাপ বাড়া কিংবা জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীদের অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে কাজ ভাগাভাগির খবরও অস্বীকার করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। তবে বেশ কয়েকজন আইনপ্রণেতা বিবিসিকে বলেছেন, ইউরোপের সঙ্গে পরবর্তী পর্যায়ের আলোচনার দায়িত্বে মে আর থাকবেন না, এমন নিশ্চয়তা পেলে অনিচ্ছা সত্ত্বেও তার চুক্তি অনুমোদন করতে পারেন তারা।

অন্যদিকে ব্রেক্সিট বাতিল করে ইউরোপে থেকে যাওয়ার পক্ষে যেসব মন্ত্রী ও এমপির মত ছিল, তারা এ সময় আরও বেশি সোচ্চার হয়েছেন। অনেকেই চান, ব্রেক্সিট বাতিল হোক। ২০১৬ সালে এক গণভোটে ইইউ থেকে সরে যাওয়ার পক্ষে ভোট দেয় এক কোটি ৭০ লাখ ব্রিটিশ। আর ইইউতে থেকে যাওয়ার পক্ষে ভোট দেয় এক কোটি ১৬ লাখ ব্রিটিশ। ইউরোপে থেকে যাওয়ার পক্ষে ছিলেন বলে ওই সময় পদত্যাগ করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন।