শুরুতেই মুখ থুবড়ে পড়ল বিরাট বাহিনী

0
44

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) প্রথম ম্যাচেই চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে মুখ থুবড়ে পড়ল বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। দ্বাদশ আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচ ঘিরে যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছিল, খেলায় তার বিন্দুমাত্র প্রতিফলন ঘটেনি। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে চেন্নাইয়ের স্পিনারদের দাপটে মাত্র ৭০ রানেই অল-আউট হয়ে যায় আরসিবি। বল হাতে নজর কেড়েছেন বর্ষীয়ান স্পিনার হরভজন সিং। বছরের অধিকাংশ সময় যাকে বাইশগজের বাইরে দেখা যায়, সেই ভাজ্জিই কিনা শনিবার রাতে চিপকের পিচে ভেলকি দেখালেন। চার ওভারে মাত্র ২০ রান দিয়ে হরভজন তুলে নেন ৩টি উইকেট। হরভজনের গড়ে দেওয়া মঞ্চে অনায়াসেই ১৪ বল বাকি থাকতে ৭ উইকেটে জয় নিশ্চিত করে ফেলে সিএসকে।

ধোনি বরাবরই দাবি করেন, চেন্নাই তার সেকেন্ড হোম। তাই চিপকের পিচ তার হাতের তালুর মতো চেনা। তিনি বুঝে গিয়েছিলেন, স্পিনাররাই ভেলকি দেখাবে। আর মাহির পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করেছেন হরভজন, ইমরান তাহির, রবীন্দ্র জাদেজারা। চেন্নাইকে প্রথম সাফল্যটি এনে দেন ভাজ্জি। মাত্র ৬ রানে তার বলে আউট হন কোহলি। কিছুটা ধরে খেলার চেষ্টা করেছিলেন পার্থিব প্যাটেল। কিন্তু বাকি ব্যাটসম্যানদের থেকে তিনি কোনো সাহায্য পাননি। ৯ রানে হরভজনের বলে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে মাঠ ছাড়েন মঈন আলি। ১০ বলে ৯ রান করে ভাজ্জির বলেই আউট হন এবি ডি’ভিলিয়ার্স। তার উপর শিমরন হেটমায়ারের (০) রান আউট আরসিবি’কে আরো চাপে ফেলে দেয়। ইমরান তাহির ও জাদেজা একের পর এক উইকেট তুলে নেয়। আরসিবি’র ইনিংস ১৭১. ওভারে মাত্র ৭০ রানেই শেষ হয়ে যায়। তবে আইপিএলে সবচেয়ে কম রানের নজির রয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সেরই। ২০১৭ সালে ইডেনে কেকেআরের বিরুদ্ধে কোহলি বাহিনী ৪৯ রানে অল-আউট হয়েছিল। ইমরান তাহির ৩টি জাদেজা নেন ২টি উইকেট।

লক্ষ্য কঠিন না হলেও চিপকের পিচে ব্যাট করা মোটেও সহজ ছিল না। ফলে সিএসকে’র ব্যাটসম্যানরা ধীরে ধীরে জয়ের ভিত গড়ে তোলেন। শেন ওয়াটসনকে (০) তৃতীয় ওভারে যুজবেন্দ্র চাহাল বোল্ড করার পর কোহলিকে বেশ উত্তেজিত দেখাচ্ছিল। মঈন আলিও ভালো বল করেন। তিনি আউট করেন সুরেশ রায়নাকে (১৯)। তবে রায়না এদিন আইপিএলে দ্রুততম পাঁচ হাজার রান পূর্ণ করে নজির গড়েন। ওপেনার অম্বাতি রায়াডু ২৮ রান করে আউট হলেও কেদার যাদব (অপরাজিত ১৩) দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন। ১৭.৪ ওভারে ৩ উইকেটে সিএসকে’র স্কোর দাঁড়ায় ৭১ রান।