হার-জিত ঠিক হলো আলো নেভার পর

9

জয়ের জন্য দরকার ৯১ রান। হাতে আছে ৮ উইকেট আর ২২ ওভার। নিউল্যান্ডসে ম্যাচের এ অবস্থায় জয় দেখছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু বাধ সেধে বসে বেরসিক ফ্লাড লাইট। মাঠের পাঁচটি ফ্লাড লাইটের মধ্যে একটি কারিগরি ত্রুটির কারণে হঠাৎ করেই নিভে যায়। প্রায় দুই ঘণ্টা অপেক্ষার পরও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় ডি/এল নিয়মে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৪১ রানে জয়ী ঘোষণা করা হয়।

পাঁচ ম্যাচের এই সিরিজ হার আগেই নিশ্চিত হয়েছে শ্রীলঙ্কার। পঞ্চম ও শেষ ম্যাচটা সফরকারিদের জন্য ছিল হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াই। সেই লড়াইয়ে আগে ব্যাট করে ২২৫ রান তোলায় খুব একটা সুবিধাজনক অবস্থায় ছিল না লঙ্কানরা। কুশল মেন্ডিসের ব্যাট থেকে এসেছে ৫৬ রানের ইনিংস। তাড়া করতে নেমে দলকে জয়ের পথেই নিয়ে যাচ্ছিলেন এইডেন মার্করাম (৬৭*) ও ফন ডার ডুসেন (২৮*)। এমন সময় ঘটে ফ্লাড লাইট বিপর্যয়। নিউল্যান্ডসের দর্শকদের মতো ইমরান তাহির আর জেপি ডুমিনিও নিশ্চয়ই খুশি হতে পারেননি। ঘরের মাটিতে এটাই ছিল তাঁদের শেষ ওয়ানডে। দল না হয় জিতল কিন্তু সেটি তো ম্যাচ শেষ হওয়ার আগেই! ম্যাচটা মাঠে শেষ হলে তাহির-ডুমিনি নিশ্চয়ই সন্তুষ্ট থাকতেন।

বাকি চারটি ফ্লাড লাইট আলো দিলেও খেলার জন্য নিরাপদ বলে মনে করেননি মাঠের আম্পায়াররা। দর্শকেরা অপেক্ষায় ছিলেন প্রকৌশলীরা সমস্যাটা দ্রুতই ত্রুটি ঠিক করে ফেলবেন। কিন্তু ৯০ মিনিট পেরিয়ে যাওয়ার পরও সমস্যা ঠিক না হওয়ায় ডি/এল নিয়মের দ্বারস্থ হতে হয়। দক্ষিণ আফ্রিকা এই নিয়মে ম্যাচে তখন ৪১ রানে এগিয়ে ছিল। এই জয়ে শ্রীলঙ্কাকে ৫-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করল ফাফ ডু প্লেসির দল।