৮৫ আসনে দুই জোটে একক প্রার্থী

7

যাচাই-বাছাইয়ে বেশ কিছু আসনে বিএনপির বিকল্প প্রার্থীরা বাদ পড়ে যাওয়ায় ৯১টি আসনে দল অথবা তার শরিকের একক প্রার্থী রয়েছে। অবশ্য দুটি আসনে বিএনপির একক প্রার্থীর পাশাপাশি একজন করে জামায়াত নেতা এবং একটি আসনে বিএনপির পাশাপাশি শরিক দল জাগপারও একজন প্রার্থী আছেন। আর ওই দুটি আসন কে পাবে, সেটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

আবার আওয়ামী লীগের তিনটি আসনে দুজন করে প্রার্থী রয়েছেন। ৯ ডিসেম্বর বিকল্প প্রার্থীদের মধ্যে একজনকে বেছে নেবে দুই জোট। ফলে এই ছয়টি আসন বাদ দিলে বাকি ৮৫টি আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত হয়ে গেছে বলা যায়।

এবার বিএনপি ৩৮টি আসনে একক প্রার্থী রেখে বাকিগুলোতে দল বা জোটের এক বা একাধিক বিকল্প দিয়েছিল। তবে যাচাই-বাছাইয়ে অন্তত ৫৩টি আসনে বিকল্পরা বাদ পড়ে গেছেন।

বিপরীতে আওয়ামী লীগ বিকল্প প্রার্থী রেখেছে কেবল এক ডজন আসনে। আর বিএনপি বা তার শরিকের একক প্রার্থী আছে, এমন আসনে ক্ষমতাসীনদের বিকল্প রয়েছে তিনটি আসনে। আরও একটি আসনে আওয়ামী লীগের কাছ থেকে ছাড় পাওয়ার চেষ্টা করছে সম্ভাব্য এক শরিক। আর একটি আসনে জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের প্রতিদ্বন্দ্বী থাকতে পারে।

আগামী ৩০ ডিসেম্বরের ভোটকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগ গত ২৫ নভেম্বর বিতরণ করে মনোনয়নের চিঠি। প্রথম দিন আড়াই শতাধিক আসনে চিঠি বিতরণ করা হয়। পরের দিনও দেওয়া হয় আরও বেশ কিছু আসনে। সব মিলিয়ে ২৬৬ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী রয়েছেন এবং যাচাই-বাছাইয়ে সবাই টিকেও গেছেন।

তবে ১২টি আসনে আওয়ামী লীগ এবং তার জোটের শরিকদের দুজন করে প্রার্থী আছেন। আগামী ৯ ডিসেম্বর প্রার্থিতা চূড়ান্ত করার আগে সেখানে একজন করে প্রার্থী বেছে নেওয়া হবে।

অন্যদিকে বিএনপি মনোনয়নের চিঠি বিতরণ শুরু করে গত ২৬ নভেম্বর। সব মিলিয়ে ২৯৫টি আসনের জন্য বিতরণ করা হয় আট শতাধিক মনোনয়নের চিঠি। তবে ২৮ নভেম্বরের মধ্যে জমা পড়ে ৬৯৬টি। যদিও গত রবিবার যাচাই-বাছাইয়ে ১৪১ জনের প্রার্থিতা বাতিল হয়ে যায়।

বাদ পড়ে যাওয়া প্রার্থীদের সিংহভাগই নির্বাচন কমিশনে প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল করেছেন। তাদের মধ্যে কেউ প্রার্থিতা ফিরে পেলে কিছু আসনে চিত্র পাল্টানোর সম্ভাবনা অবশ্য রয়েছে। নইলে এই আসনগুলোতে প্রার্থিতা একধরনের চূড়ান্তই বলা যায়।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য জমিরউদ্দিন সরকার বলেন, ‘যদি আমরা নির্বাচন করি, তাহলে এই ৯০ জনকে তো চূড়ান্ত বলাই যায়। তবে আপিলে কেউ যদি প্রার্থিতা ফিরে পায়, তাহলে কিছু আসনে পরিবর্তন আসবে।’

৩০ ডিসেম্বরের ভোটকে সামনে রেখে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত অবশ্য প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সুযোগ আছে। সেদিন যারা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবেন না, তারাই প্রার্থী হিসেবে টিকে থাকবেন।

রবিবারের যাচাই-বাছাইয়ে সাতটি আসনে বিএনপির কোনো প্রার্থীর মনোনয়ন টেকেনি। এর মধ্যে একটিতে জোটের শরিক জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামীর একজন এবং পরদিন একটিতে জামায়াতে ইসলামীর একজন নেতার মনোনয়নপত্র গ্রহণের নির্দেশ এসেছে।

কার প্রতিদ্বন্দ্বী কারা

রংপুর বিভাগ

পঞ্চগড়-১ আসনে আওয়ামী লীগের মাজহারুল হক প্রধানের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নওশদ জমির।

পঞ্চগড়-২ আসনে আওয়ামী লীগের নুরুল ইসলাম সুজনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নাদিরা আখতার। এই আসনে জাগপার তাসনিয়া প্রধানের মনোনয়নও বৈধ হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে আওয়ামী লীগের রমেশ চন্দ্র সেনের বিপরীতে বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে ওয়ার্কার্স পার্টির ইয়াসিন আলীর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জাহিদুর রহমান।

দিনাজপুর-১ আসনে আওয়ামী লীগের মনোরঞ্জন শীল গোপালের বিপরীতে বিএনপির মঞ্জুরুল ইসলাম।

দিনাজপুর-৩ আসনে আওয়ামী লীগের ইকবালুর রহিমের বিপরীতে বিএনপির মোফাজ্জল হোসেন দুলাল।

দিনাজপুর-৬ আসনে আওয়ামী লীগের শিবলী সাদিকের বিপরীতে বিএনপির লুৎফুর রহমান মিন্টু। এই আসনে জামায়াতের আনোয়ারুল ইসলামের মনোনয়নও টিকে গেছে।

রংপুর-৫ আসনে আওয়ামী লীগের এইচ এন আশিকুর রহমানের বিপরীতে জামায়াতের গোলাম রাব্বানী। এখানে জাতীয় পার্টি প্রার্থী করেছে ফখরুজ্জামান জাহাঙ্গীরকে।

রংপুর-৬ আসনে আওয়ামী লীগের শেখ হাসিনা অথবা শিরীন শারমীন চৌধুরীর বিপরীতে বিএনপির সাইফুল ইসলাম।

কুড়িগ্রাম-৩ আসনে জাতীয় পার্টির আক্কাছ আলীর বিপরীতে বিএনপির প্রার্থী তাজবিরুল ইসলাম।

নীলফামারী-৩ আসনে জাতীয় পার্টির ফারুক কাদেরের বিপরীতে জামায়াতের আজিজুল ইসলাম।

লালমনিরহাট-৩ আসনে জাতীয় পার্টির জি এম কাদেরের বিপরীতে বিএনপির আসাদুল হাবিব দুলু।

গাইবান্ধা-১ আসনে জাতীয় পার্টির শামীম হায়দার পাটোয়ারির বিপরীতে বিএনপির মাজেদুর রহমান।

গাইবান্ধা-৩ আসনে আওয়ামী লীগের ইউনুস আলী সরকারের বিপরীতে বিএনপির মইনুল হাসান সাদিক।

রাজশাহী বিভাগ

রাজশাহী-১ আসনে আওয়ামী লীগের ওমর ফারুক চৌধুরীর বিপরীতে বিএনপির আভা হক।

বগুড়া-২ আসনে জাতীয় পার্টির শরিফুল ইসলাম জিন্নাহর বিপরীতে নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে আওয়ামী লীগের জিয়াউর রহমানের বিপরীতে বিএনপির আমিনুল ইসলাম।

নাটোর-২ আসনে আওয়ামী লীগের শফিকুল ইসলাম শিমুলের বিপরীতে বিএনপির সাবিনা ইয়াসমিন ছবি।

নাটোর-৪ আসনে আওয়ামী লীগের আবদুল কুদ্দুছের বিপরীতে বিএনপির মোজাম্মেল হক।

সিরাজগঞ্জ-২ আসনে আওয়ামী লীগের হাবিবে মিল্লাত মুন্নার বিপরীতে বিএনপির রুমানা মাহমুদ।

সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে আওয়ামী লীগের আবদুল আজিজের বিপরীতে বিএনপির মান্নান তালুকদার।

সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে আওয়ামী লীগের হাসিবুর রহমান খান স্বপনের বিপরীতে বিএনপির কামরুদ্দিন ইয়াহিয়া মজলিস।

পাবনা-১ আসনে আওয়ামী লীগের শামসুল হক টুকুর বিপরীতে গণফোরামের আবু সাইয়িদ।

খুলনা বিভাগ

খুলনা-১ আসনে আওয়ামী লীগের পঞ্চানন বিশ্বাসের বিপরীতে বিএনপির আমির এজাজ খান।

খুলনা-২ আসনে আওয়ামী লীগের শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েলের বিপরীতে বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

খুলনা-৬ আসনে আওয়ামী লীগের আখতারুজ্জামান বাবুর বিপরীতে জামায়াতের আবুল কালাম আজাদ।

চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে আওয়ামী লীগের আলী আজগর টগরের বিপরীতে বিএনপির মাহমুদ হাসান খান বাবু।

মাগুরা-১ আসনে আওয়ামী লীগের সাইফুজ্জামান শিখরের বিপরীতে বিএনপির মনোয়ার হোসেন খান।

মাগুরা-২ আসনে আওয়ামী লীগের বীরেন শিকদারের বিপরীতে বিএনপির নিতাই রায় চৌধুরী।

বরিশাল বিভাগ

বরিশাল-৪ আসনে আওয়ামী লীগের পংকজ দেবনাথের বিপরীতে বিএনপির এ মেছবাহ উদ্দিন ফরহাদ।

বরিশাল-৫ আসনে আওয়ামী লীগের জাহিদ ফারুক শামীমের বিপরীতে বিএনপির মজিবুর রহমান সরোয়ার।

পটুয়াখালী-৩ আসনে আওয়ামী লীগের এস এম শাহজাদার বিপরীতে বিএনপির হাসান মামুন।

বরগুনা-১ আসনে আওয়ামী লীগের ধীরেন্দ্র নাথ শম্ভু অথবা জাহাঙ্গীর কবিরের বিপরীতে বিএনপির নজরুল ইসলাম মোল্লা।

ঢাকা বিভাগ

ঢাকা-২ আসনে আওয়ামী লীগের কামরুল ইসলামের বিপরীতে বিএনপির ইরফান আমান।

ঢাকা-৩ আসনে আওয়ামী লীগের নসরুল হামিদ বিপুর বিপরীতে বিএনপির গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

ঢাকা-৫ আসনে আওয়ামী লীগের হাবিবুর রহমান মোল্লা অথবা মিজানুর রহমান মনুর বিপরীতে বিএনপির নবী উল্লাহ নবী।

ঢাকা-৮ আসনে ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেননের বিপরীতে বিএনপির মির্জা আব্বাস।

ঢাকা-৯ আসনে আওয়ামী লীগের সাবের হোসেন চৌধুরীর বিপরীতে বিএনপির হাবিব উর রশীদ হাবিব।

ঢাকা-১৬ আসনে আওয়ামী লীগের ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লার বিপরীতে বিএনপির আহসানউল্লাহ হাসান।

ঢাকা-১৯ আসনে আওয়ামী লীগের এনামুর রহমানের বিপরীতে বিএনপির দেওয়ান মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বাবু।

ঢাকা-২০ আসনে আওয়ামী লীগের বেনজীর আহমেদের বিপরীতে বিএনপির জিয়াউর রহমান জিয়া।

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে আওয়ামী লীগের এ কে এম শামীম ওসমানের বিপরীতে বিএনপির শাহ আলম।

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে জাতীয় পার্টির এ কে এম সেলিম ওসমানের বিপরীতে বিএনপির আবুল কালাম।

মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনে আওয়ামী লীগের মৃণাল কান্তি দাসের বিপরীতে বিএনপির আব্দুল হাই।

গাজীপুর-৩ আসনে আওয়ামী লীগের ইকবাল হোসেন সবুজের বিপরীতে বিএনপির রফিকুল ইসলাম বাচ্চু।

গাজীপুর-৪ আসনে আওয়ামী লীগের সিমিন হোসেন রিমির বিপরীতে বিএনপির শাহ রিয়াজুল হান্নান।

গাজীপুর-৫ আসনে আওয়ামী লীগের মেহের আফরোজ চুমকির বিপরীতে বিএনপির ফজলুল হক মিলন।

মানিকগঞ্জ-৩ আসনে আওয়ামী লীগের জাহেদ মালিক স্বপনের বিপরীতে বিএনপির আফরোজা খান রিতা।

টাঙ্গাইল-১ আসনে আওয়ামী লীগের আবদুর রাজ্জাকের বিপরীতে বিএনপির সরকার শহীদ।

টাঙ্গাইল-৬ আসনে আওয়ামী লীগের আহসানুল ইসলাম টিটোর বিপরীতে বিএনপির গৌতম চক্রবর্তী।

টাঙ্গাইল-৮ আসনে আওয়ামী লীগের জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহেরের বিপরীতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কুড়ি সিদ্দিকী।

নরসিংদী-১ আসনে আওয়ামী লীগের নজরুল ইসলাম হিরুর বিপরীতে বিএনপির খায়রুল কবির খোকন।

নরসিংদী-২ আসনে আওয়ামী লীগের আনোয়ারুল আশরাফ খানের বিপরীতে বিএনপির আবদুল মঈন খান।

কিশোরগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামী লীগের সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম অথবা মশিউর রহমান হুমায়ুনের বিপরীতে বিএনপির রেজাউল করিম খান চুন্নু।

কিশোরগঞ্জ-২ আসনে আওয়ামী লীগের নুর মোহাম্মদের বিপরীতে বিএনপির শহীদুজ্জামান কাকন।

কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে জাতীয় পার্টির মজিবুল হক চুন্নুর বিপরীতে বিএনপির জালাল মোহাম্মদ গাউস।

কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে আওয়ামী লীগের রেজওয়ান আহম্মেদ তৌফিকের বিপরীতে বিএনপির ফজলুর রহমান।

কিশোরগঞ্জ-৬ আসনে আওয়ামী লীগের নাজমুল হাসান পাপনের বিপরীতে বিএনপির শরীফুল আলম।

গোপালগঞ্জ-৩ আসনে আওয়ামী লীগের শেখ হাসিনার বিপরীতে বিএনপির এস এম আফজাল।

শরীয়তপুর-২ আসনে আওয়ামী লীগের এ কে এম এনামুল হক শামীমের বিপরীতে বিএনপির শফিকুর রহমান কিরণ।

শরীয়তপুর-৩ আসনে আওয়ামী লীগের নাহিম রাজ্জাকের বিপরীতে বিএনপির মিয়া নুরুদ্দিন অপু।

মাদারীপুর-১ আসনে আওয়ামী লীগের নুর-ই আলম চৌধুরী লিটনের বিপরীতে বিএনপির সাজ্জাদ হোসেন লাবলু সিদ্দিকী।

মাদারীপুর-৩ আসনে আওয়ামী লীগের আবদুস সোবহান গোলাপের বিপরীতে বিএনপির এ আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন।

ময়মনসিংহ বিভাগ

ময়মনসিংহ-৫ আসনে আওয়ামী লীগের কে এম খালিদ বাবুর বিপরীতে বিএনপির জাকির হোসেন বাবলু।

শেরপুর-১ আসনে আওয়ামী লীগের আতিউর রহমান আতিকের বিপরীতে বিএনপির সানজিলা জেবরিন।

নেত্রকোণা-৫ আসনে আওয়ামী লীগের ওয়ারেসাত হোসেন বেলালের বিপরীতে বিএনপির এ এস এম শহিদুল্লাহ।

সিলেট বিভাগ

হবিগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামী লীগের দেওয়ান শাহনেওয়াজ মিলাত গাজীর বিপরীতে বিএনপির শেখ সুজাত মিয়া।

হবিগঞ্জ-২ আসনে আওয়ামী লীগের আবদুল মজিদ খানের বিপরীতে বিএনপির সাখাওয়াত হাসান জীবন।

হবিগঞ্জ-৪ আসনে আওয়ামী লীগের মাহবুব আলীর বিপরীতে বিএনপির সৈয়দ মো. ফয়ছল।

সুনামগঞ্জ-৩ আসনে আওয়ামী লীগের এম এ মান্নানের বিপরীতে জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামীর শাহিনুর চৌধুরী পাশা।

মৌলভীবাজার-২ আসনে বিকল্পধারার এম এম শাহীনের বিপরীতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সুলতান মো. মনসুর আহমেদ।

মৌলভীবাজার-৪ আসনে আওয়ামী লীগের আবদুস শহীদের বিপরীতে বিএনপির মুজিবুর রহমান।

চট্টগ্রাম বিভাগ

কুমিল্লা-৩ আসনে আওয়ামী লীগের ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুনের বিপরীতে বিএনপির শাহেদা রফিক।

কুমিল্লা-৫ আসনে আওয়ামী লীগের আবদুল মতিন খসরুর বিপরীতে বিএনপির শওকত মাহমুদ।

কুমিল্লা-৭ আসনে আওয়ামী লীগের আলী আশরাফের বিপরীতে এলডিপির রেদোয়ান আহমেদ।

লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ আবদুল্লাহর বিপরীতে জেএসডির আ স ম রব। এখানে বিকল্পধারার প্রার্থী আবদুল মান্নান।

নোয়াখালী-৪ আসনে আওয়ামী লীগের একরামুল করিম চৌধুরীর বিপরীতে বিএনপির মোহাম্মদ শাহজাহান।

নোয়াখালী-৬ আসনে আওয়ামী লীগের আয়েশা ফেরদাউসের বিপরীতে বিএনপির ফজলুল আজিম।

চট্টগ্রাম-৪ আসনে আওয়ামী লীগের দিদারুল আলমের বিপরীতে বিএনপির ওয়াই বি সিদ্দিকী।

চট্টগ্রাম-৬ আসনে আওয়ামী লীগের এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীর বিপরীতে জসিম উদ্দিন শিকদার।

চট্টগ্রাম-৮ আসনে জাসদের একাংশের মইনুদ্দিন খান বাদলের বিপরীতে বিএনপির আবু সুফিয়ান।

চট্টগ্রাম-৯ আসনে আওয়ামী লীগের মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের বিপরীতে বিএনপির শাহাদাৎ হোসেন।

চট্টগ্রাম-১১ আসনে আওয়ামী লীগের এম এ লতিফের বিপরীতে বিএনপির আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

চট্টগ্রাম-১৪ আসনে আওয়ামী লীগের নজরুল ইসলামের বিপরীতে এলডিপির অলি আহমেদ।

চট্টগ্রাম-১৫ আসনে আওয়ামী লীগের আবু রেজা মোহাম্মদ নদভীর বিপরীতে জামায়াতের আ ন ম শামসুল ইসলাম।

চট্টগ্রাম-১৬ আসনে আওয়ামী লীগের মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর বিপরীতে বিএনপির জাফরুল ইসলাম চৌধুরী।

কক্সবাজার-১ আসনে আওয়ামী লীগের জাফর আলমের বিপরীতে বিএনপির হাসিনা আহমেদ।

কক্সবাজার-২ আসনে আওয়ামী লীগের আশেকউল্লাহ রফিকের বিপরীতে বিএনপির আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ। এই আসনে জামায়াতের হামিদুর রহমান আযাদও প্রার্থী।

কক্সবাজার-৩ আসনে আওয়ামী লীগের সাইমুম সারোয়ার কমলের বিপরীতে বিএনপির লুৎফর রহমান কাজল।

কক্সবাজার-৪ আসনে আওয়ামী লীগের শাহীনা আক্তার চৌধুরীর বিপরীতে বিএনপির শাহজাহান চৌধুরী।

বান্দরবান আসনে আওয়ামী লীগের বীর বাহাদুর উসৈ সিংয়ের বিপরীতে বিএনপির সা চিন প্রু।