ব্রিকস নেতাদের সাথে বিমসটেকের আউটরিচ বৈঠকে অংশ নিতে ভারতের গোয়ায় পৌঁছেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।শনিবার ব্রিকস নেতাদের শীর্ষ বৈঠকের পর আজই বিমসটেকের সদস্য দেশগুলোর সাথে বৈঠক করবেন ব্রিকস শীর্ষ নেতারা।

বৈঠকে ব্রিকসভূক্ত দেশগুলোর সাথে বিমসটেকের একটি ‘খোলামেলা আলোচনা হবে’ বলে মনে করছেন ভারতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলি।

বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির বড় দেশগুলোর জোট ব্রিকসে রয়েছে ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন এবং দক্ষিণ আফ্রিকা।

নরেন্দ্র মোদি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ভারতে এটি শেখ হাসিনার প্রথম সরকারি সফর।

বিমসটেকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে এই আঞ্চলিক জোটকে ঘিরেও বাংলাদেশের আগ্রহ ও প্রত্যাশা বিপুল।ভারতে শেখ হাসিনা: বিমসটেক থেকে কী চায় বাংলাদেশ?
ব্রিকসে রয়েছে ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন এবং দক্ষিণ আফ্রিকা

বিমসটেকের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলংকা, ভুটান এবং নেপাল রয়েছে। অপরদিকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে থাইল্যান্ড ও মিয়ানমার।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মি. আলি সংবাদদাতা শুভজ্যোতি ঘোষকে বলেন, “বিমসটেকে আমাদের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে দুই অঞ্চলের মধ্যে কানেক্টিভিটি, বাণিজ্য সুবিধা, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা”।

দুই দশক আগে তৈরি হলেও বিমসটেককে খুব একটা কার্যকর হতে দেখা যায়নি।

মি. আলি বলেন, বাংলাদেশ চাইছে যত দ্রুত সম্ভব বিমসটেকের পরবর্তী শীর্ষ সম্মেলন আয়োজিত হোক। নিয়মানুযায়ী এবার সেটি ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হবার কথা রয়েছে।

বিমসটেক আউটরিচ বৈঠক ছাড়াও নরেন্দ্র মোদির সাথে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মিয়ানমার ছাড়া বিমসটেকভূক্ত অন্যান্য দেশগুলোর রাষ্ট্রপ্রধানেরা গোয়ার সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন। মিয়ানমারের পক্ষে অংশ নিচ্ছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী অং সান সুচি।

LEAVE A REPLY