জননেত্রী শেখ হাসিনার ৩৭তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন : ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ

0
6

ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সংগঠনের সভাপতি মোস্তফা মজুমদার বাচ্চুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান সঞ্চারনায় বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি এবং গণতন্ত্র বিকাশে বঙ্গবন্ধুর তনয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তফা মজুমদার বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, সহ-সভাপতিঃ খোকন মজুমদার, জাহিদ বাবু, নাসির সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকঃ নাইম উদ্দিন, সফিউল সাফি এবং সাংগঠনিক সম্পাদকঃ সরদার সাইদুর রহমান,তরুণ আওয়ামী লীগ নেতা মোসাদ্দেকুর রহমান রাসেল, ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা রাফায়েত হোসেন মিঠু , হাসনাত রুবেল সহ ডেনমার্ক যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠান শুরুতে হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙ্গালী জাতির পিতা ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান, জাতীয় চারনেতা, ভাষা শহীদ , ১৯৭৫এর ১৫ই আগস্ট শহীদ ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করে প্রাণপ্রিয় এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

অনুষ্ঠান বক্তারা বলেনঃ ১৯৮১ সালের ১৩ই মে হইতে ১৫ই ফেব্রুয়ারী পর্য্ন্ত অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে সর্বসম্মতিক্রমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনাকে তাঁর অনুপস্থিতিতেই দলের সভানেত্রী নির্বাচিত করা হয়। এবং ১৯৮১ সালের ১৭ই মে অর্থাৎ আজকের এই দিনে-বঙ্গবন্ধুরই সোনার বাংলায় ‘বঙ্গবন্ধুহীন’ স্বদেশ ফিরে আসেন তিনি। সেদিন ঝড়, মেঘ আর বৃষ্টিস্নাত ঢাকার রাজপথে লাখ লাখ মানুষ ‘বাঙ্গালী জাতির অস্তিত্ব’ শেখ হাসিনাকে কাছে পেয়ে যেমন আবেগপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন, তেমনি স্বজন হারানো বঙ্গবন্ধু’র এই তনয়াকে বুকে টেনে নিয়েছিলেন। সেদিন থেকে আজবধি ‘বঙ্গবন্ধু’ কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ‘বাঙ্গালী জাতি’র মধ্যমণি। জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশের মাটিতে পা রেখেই নেতাবিহীন-নেতৃত্ববিহীন, দানবকবলিত রক্তাক্ত বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন অসীম সাহসের সঙ্গে। এবং নিজের জীবন বাজি রেখে সঠিক সময়ে সঠিক এবং সাহসী সিদ্ধান্তের সাথে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে ধাবিত করেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার সংগ্রামে। এতে তিনি পুরোপুরি সফলও হয়েছেন। জননেত্রী শেখ হাসিনার রয়েছে, বহু সাফল্য ও অর্জন।

সংগঠনের নেতারা দৃঢ়কণ্ঠে বলেন, ১৯৮১ সালের ১৭ মে, ‘বঙ্গকন্যা’ জননেত্রী শেখ হাসিনা’র যদি ‘স্বদেশ প্রত্যাবর্তন’ না হতো-বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল হতো না, সমুদ্র বিজয় হতো না, ৬৫ বছরের ছিটমহলবাসীর সমস্যার সমাধান কখনও হতো না, পদ্মাসেতু হতো না, আজ বাংলাদেশে উন্নয়নের যে “সোপান”এর সৃষ্টি হয়েছে, তা কখনও সম্ভব ছিলনা। জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশ-জাতি দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার অতন্ত্র প্রহরীই শুধু নন, তিনি তৃতীয় বিশ্বের হত-দরিদ্র, বঞ্চিত মানুষের চেতনার প্রতিক, বিশ্বশান্তির প্রতীক ও ‘ডটার অব পিস’। জননেত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ়তা এবং দুরদুর্শীতার কারণেই-বাংলার মাটিতে ঘৃণ্য যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্ভব হয়েছে। তাঁর প্রতি সমগ্র বাঙ্গালী জাতি কৃতজ্ঞ। আজকে ৩৭তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে আমাদের অঙ্গীকার হচ্ছে, জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে আমরা তাঁর পাশে আছি, থাকবো আজীবন। তার নেতৃত্বে-দেশে উন্নয়নের যে ধারা সূচিত হয়েছে, তা অব্যাহত রাখতে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের কোন রকম বিকল্প নেই। বঙ্গবন্ধু’র স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে তাঁর হাতকে আরও শক্তিশালী করতেও আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। আজকের দিনে আমাদের প্রাণপ্রিয় এবং জননেত্রী শেখ হাসিনাকে জানাই প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা এবং কৃতজ্ঞতায়-শ্রদ্ধাঞ্জলী। আমরা তার দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেনঃযুগ্ম সাধারণ সম্পাদকঃ নাইম উদ্দিন, নুরুল ইসলাম টিটু, এবং সাংগঠনিক সম্পাদকঃ সরদার সাইদুর রহমান, গোলাম কিবরিয়া শামিম, মোহাম্মদ সেলিম , আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদকঃ রাসেল, অভিবাসন বিষয়ক সম্পাদকঃ আরিফুল হক আরিফ,কৃষি বিষয়ক সম্পাদকঃ সাজ্জাদ হোসেন,তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদকঃ সম্রাট ,ত্রাণ ও সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদকঃ ইউসুফ আহম্মেদ,সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদকঃ কোহিনুর আক্তার মুকুল, ধর্ম-বিষয়ক সম্পাদকঃ কচি মিয়া,প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদকঃ নীরু সুমন,বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদকঃ কামরুল ইসলাম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদকঃ রেজাউল হক রেজা,মহিলা বিষয়ক সম্পাদকঃ তানিয়া সুলতানা চাপা,যুব ও ক্রিয়া বিষয়ক সম্পাদকঃ মোহাম্মদ সেলিম,শিক্ষা ও মানব বিষয়ক সম্পাদকঃ নাজিম উদ্দিন খান,শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদকঃ মোতালেব হোসেন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদকঃ গোলাম রাব্বি,সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদকঃ লায়লা আক্তার সীমা,স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদকঃ সামছু উদ্দিন,দপ্তর সম্পাদকঃ দেবাসীষ দাস,প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদকঃ নয়ন,কার্যকরী কমিটির সদস্য , মোসাদ্দিকুর রহমান রাসেল, রনি, ওমর,আমির জীবন , ফজলে রাব্বি , সামসুল আলম, সোহেল আহমেদ, সাফায়েত অন্তর, শামীম খান ,তাসবির হোসেন,মাঞ্জুর আহমেদ মামুন, মনসর আহমেদ, মোহাম্মাদ ইউসুফ, মাসুম বিল্লাহ, শাওন রহমান , সাইদুর রহমান, নাজমুল ইসলাম, আরিফুল ইসলাম, হাসান শাহীন, তুহীন, আরিফুল হক আরিফ, আজাদুর রহমান, রাজ্জাক, নাজমুল হোসেন, দোলন, সহ সকল নেতৃবৃন্দ। উপস্থিত নেতৃবৃন্দদের সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি করা হয়।

LEAVE A REPLY