প্রধান বিচারপতির অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য এক্সপাঞ্জ করার দাবি যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের

0
115
প্রধান বিচারপতির অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য এক্সপাঞ্জ করার দাবি যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের
প্রধান বিচারপতির অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য এক্সপাঞ্জ করার দাবি যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের

ষোড়শ সংশোধনী নিয়ে প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা মামলার ‘ফ্যাক্ট অব ইস্যুর’ সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এমন ‘অনেক অপ্রাসঙ্গিক’ মন্তব্য করেছেন যার মধ্যে ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা কোনো একক ব্যক্তির কারণে হয় নাই’-এই কথাটিও ছিল; যা শুনে পুরো জাতি আজ মর্মাহত। আর তাই প্রধান বিচারপতির উচিত ও আমাদের দাবি- যতদ্রুত সম্ভব অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্যগুলো এক্সপাঞ্জ করা।
যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বিভিন্ন রাজনৈতিক,সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ-এর মাঝে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবদুস সামাদ আজাদ, আমেরিকা-বাংলাদেশ এলাইন্সের প্রেসিডেন্ট ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এমএ সালাম,এবিসিডিআই সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ড. প্রদীপ রঞ্জন কর,লেখক ও এক্টিভিষ্ট সিকদার গিয়াস উদ্দিন, সিডিএলজি নির্বাহী পরিচালক আবু তালেব,যুক্তরাষ্ট্র সোহরাওয়ার্দী স্মৃতি পরিষদের সভাপতি শিশু সাহিত্যিক হাসানুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন,সংগঠক আবদুর রহিম বাদশা, নিউইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ওসমান গণি ও সাধারণ সম্পাদক সুহাস বড়ুয়া, সেন্ট্রাল ফ্লোরিডা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহবুবুর রহামন মিলন ও সাধারণ সম্পাদক আলো আহমেদ,আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন ও সাধারণ সম্পাদক হেলাল মাহমুদ, মুক্তিযোদ্ধা বিএম জাকির হোসেন হিরু ভূইয়া, মুক্তিযোদ্ধা গোলাম কুদ্দুস,বোস্টনবাংলানিউজ ডটকম সহযোগী সম্পাদক বিশ্বজিৎ সাহা ,নাসিম পারভীন,সামসুল আলম ও আয়েশ আক্তার রুবি, ইউএসএবাংলানিউজ এর সম্পাদক আবু সাঈদ রতন, কবি ও সঙ্গীত শিল্পী শামীমআরা আফিয়া, কবি আব্দুল আজিজ, ফিরোজ মাহমুদ, আশাফ মাসুক,জাহাঙ্গীর কবির,জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন ও সাধারণ সম্পাদক শামসুউদ্দিন আহমেদ শামীম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জাসদ যুক্তরাষ্ট্র শাখার সিনিয়র সহ সভাপতি দেওয়ান শাহেদ চেীধুরী, এর সভাপতিত্ত্বে ও সাধারান সম্পাদক নূরে আলম জিকু এবং শেখ হাসিনা মঞ্চে যুক্তরাষ্ট্রের সভাপতি হাজী জালাল উদ্দিন জলিল ও সাধারণ সম্পাদক কায়কোবাদ খান প্রমুখ বলেন, ১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত বাঙালির স্বাধীনতার লড়াইয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্ব ও তাঁর অবদানের কথা নিশ্চয়ই আমাদের প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা সাহেব জানেন। কিন্তু দুঃখজনক হলো, স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর হঠাৎ মামলার সাথে সম্পর্কিত না হওয়া সত্বেও এই ধরনের অপ্রাসঙ্গিক কথা নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে যা উদীয়মান যুব সমাজকে বিভ্রান্তকরণ বলেও আমরা মনে করছি তারা আরও বলেন, সরকার ও বিচার বিভাগ একে অপরের প্রতিপক্ষ না হয়ে বরং দেশ ও জাতির স্বার্থে মামলার সাথে সম্পর্কিত নয় এমন সকল ধরনের অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য এক্সপাঞ্জ করার উদ্যোগ গ্রহণ এবং প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা সাহেব তাঁর বিতর্কিত মন্তব্য এক্সপাঞ্জ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করার মাধ্যমে সময়ের গ্রহণযোগ্য ও সুন্দর ইতিহাস সৃষ্টি করতে পারেন এবং এটা আমাদেরও দাবি।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর নেতৃত্ব, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে বিভ্রান্তকর মন্তব্যকারী যেই হোক, এ জাতি কখনো ক্ষমা করবে না বলেও মন্তব্য করেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বিভিন্ন রাজনৈতিক,সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ-।

LEAVE A REPLY