নামাজ আর এক কাপ রঙ চায়েই খালেদা জিয়ার দিন পার!

0
55
নামাজ আর এক কাপ রঙ চায়েই খালেদা জিয়ার দিন পার!
নামাজ আর এক কাপ রঙ চায়েই খালেদা জিয়ার দিন পার!

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গতকাল খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন সিনিয়র আইনজীবী আবদুর রেজ্জাক খান। ওই দিন আদালতে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত উপস্থিত ছিলেন খালেদা জিয়া। এক কাপ রঙ চা পান করেই এদিন পার করলেন তিনি।

রাজধানীর বকশিবাজারে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান এ দিন ধার্য করেন।

এদিন বেলা ১১টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত আদালতে মামলার কার্যক্রম চলে। দুপুর ১টা ১৮ মিনিটের দিকে এক ঘণ্টার জন্য বিরতি দেন আদালত।

এরপর আদালতের ভেতরেই ছোট্ট একটি রুমে বিশ্রাম নেন খালেদা জিয়া। মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস বলেন, বিরতির সময় খালেদা জিয়া জোহরের নামাজ আদায় করেন। এরপর তিনি এক কাপ রঙ চা পান করেছেন। কোনো খাবার খাননি তিনি। এ সময় আদালতের এজলাসে অন্য আইনজীবীদেরও দুপুরের খাবার খেতে দেখা যায়।

এদিকে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, এ মামলায় কোনো সারবত্তা নেই। এটি একটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা।

এ মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কোনো প্রকার সাক্ষ্য নেই। তিনি এ ট্রাস্টের সঙ্গে কোনোভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন তাও প্রমাণিত নয়। আমরা আশা করছি, এ মামলায় তিনি খালাস পাবেন।

আদালতে ৩২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। কেউই বলেননি খালেদা জিয়া এ মামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত। এর আগে চলতি বছরের ২০ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু করেন আবদুর রেজ্জাক খান।

এরও আগে ১৯ ডিসেম্বর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াসহ সব আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে আসামিদের সর্বোচ্চ শাসি্ত দাবি করে দুদক প্রসিকিউশন।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী হিসেবে ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, এজে মোহাম্মদ আলী, এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, সানাউল্লাহ মিয়া, মাসুদ আহমেদ তালুকদারসহ শতাধিক আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের নামে এতিমদের জন্য বিদেশ থেকে আসা দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রাজধানীর রমনা থানায় প্রথম মামলাটি করা হয়।

আর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট রাজধানীর তেজগাঁও থানায় দ্বিতীয় মামলাটিও করে দুদক।

LEAVE A REPLY