নাটোরে সাড়ে ৮ লাখ জমির খতিয়ান যাচ্ছে অনলাইনে

0
41

জেলার প্রায় সাড়ে ৮ লাখ সি.এস, এস.এ ও আর.এস খতিয়ানের কম্পিউটার ডাটা এন্টির কাজ শুরু হয়েছে। চলতি বছরের জুন মাস থেকে শুরু হওয়া এই কার্যক্রমে ৬ মাসে প্রায় ৩৫ হাজার জমির সি.এস খতিয়ান গেছে অনলাইনে।
জেলা রেকর্ড রুম সূত্রে জানা যায়, ‘ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি জরিপ ও রেকর্ড প্রণয়ন এবং সংরক্ষণ’ প্রকল্পের আওতায় জেলার মোট জমির ৮ লাখ ৪৬ হাজার ৮৪১টি সি.এস, এস.এ ও আর.এস খতিয়ানের কম্পিউটার ডাটা এন্ট্রির কাজ শুরু হয়েছে। ডাটা এন্ট্রির এই কর্মযজ্ঞে সিংড়া উপজেলা থেকে ন্যাশনাল সার্ভিসের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী ১৪ জন যুব ও যুবা অংশগ্রহণ করছেন। এর মধ্যে ৬ জন ডাটা এন্ট্রির দায়িত্ব পালন করছেন, ৬ জন এন্ট্রিকৃত ডাটা যাচাই করছেন এবং ২ জন খতিয়ানের হার্ড কপির সাথে সফট কপি তুলনা করছেন। সর্বশেষ তা অনুমোদন করছেন রেকর্ড রুমের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
ডাটা এন্ট্রির সংরক্ষিত কক্ষে কর্মরত সর্বোচ্চ এন্ট্রিকারী হাজেরা খাতুন বলেন, আমি দিনে ৯০ থেকে ১০০ টি খতিয়ানের এন্ট্রি দিতে পারি। যাচাইকারী এনামুল হক জানান, দিনে ২৫০ থেকে ৩০০ টি খতিয়ানের যাচাই কাজ করা সম্ভব। গড়ে প্রতি কর্ম দিবসে প্রায় ১ হাজার ডাটা এন্ট্রির কাজ চূড়ান্ত হচ্ছে বলে জানান রেকর্ড রুমের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম।
মোঃ জাহাঙ্গীর আলম জানান, জেলার ২ লক্ষাধিক সি.এস খতিয়ানের মধ্যে নাটোর ও নলডাঙ্গা উপজেলার প্রায় ৩৫ হাাজর খতিয়ানের ডাটা এন্ট্রির কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। বাগাতিপাড়া উপজেলার সি.এস রেকর্ডের ডাটা এন্ট্রির কাজ শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে জেলার অন্য ৪টি উপজেলার ডাটা এন্ট্রির কাজ সমাপ্ত হলে পরবর্তীতে এস.এ খতিয়ান এবং আর.এস খতিয়ানের ডাটা এন্ট্রির কাজ সম্পন্ন করা হবে। আশা করা হচ্ছে আগামী ৩ বছরের মধ্যে জেলার প্রায় সাড়ে ৮ লাখ এস.এ, সি.এ ও আর.এস খতিয়ানের ডাটা এন্ট্রির কাজ শেষ হবে।
নাটোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ভূঁঞা বাসসকে বলেন, একটি সফটওয়্যার ডেভেলপ করা হচ্ছে। এতে করে অন লাইনে এন্ট্রিকৃত ডাটা যে কোন ব্যক্তি যে কোন স্থান থেকে ভূমি মন্ত্রণালয়ের আর্কাইভে প্রয়োজনীয় খতিয়ান দেখতে পারবেন এবং স্বাক্ষর ছাড়া প্রিন্টআউট কপিও নিতে পারবেন। আর অন লাইনে আবেদন করা হলে স্বাক্ষরযুক্ত খতিয়ান মাত্র এক কর্ম দিবসে আবেদনকারীর ঠিকানায় পোস্ট করা সম্ভব হবে। অল্প সময়ে কাঙ্খিত সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আমরা বদ্ধ পরিকর।

LEAVE A REPLY