২০১৭ সালের একুশের বইমেলায় নিষিদ্ধ করা হয়েছে শ্রাবণ প্রকাশনীকে। বাংলা একাডেমির কাউন্সিলে ওই প্রকাশনীকে কোনো স্টল বরাদ্দ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

২০১৭ সালের একুশে গ্রন্থমেলার কমিটির সচিব জালাল আহমেদ জানান, গত বইমেলায় বিতর্কিত একটি বই প্রকাশ করায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বইটির প্রকাশক ও লেখককে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনা নিয়ে পরে শ্রাবণ প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী রবিন আহসান বাংলা একাডেমির সমালোচনা করেন। এই ঘটনার জের ধরেই এবারের কাউন্সিলের মিটিং-এ শ্রাবণকে স্টল বরাদ্দ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

তিনি আরো জানান, শ্রাবণ প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী রবিন আহসান ইতোমধ্যে তার ফেসবুকে এ ঘটনার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

তিনি লেখেন- ‘হায় গণতন্ত্র একজন প্রবীণ প্রকাশক-লেখককে গ্রেফতার করায় আমি টকশোতে এই ঘটনার নিন্দা জানাই এবং আমাদের বন্ধুরা শাহবাগে সমাবেশ করে সেই সমাবেশে বক্তব্য রাখায় গণতন্ত্রের পতাকাবাহী বাংলা একাডেমির ইতিহাসের সর্বোচ্চ সময়ের মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান শ্রাবণ প্রকাশনীকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে! আমি হয়ত না খেয়ে মরবো না তবে এই গণতান্ত্রিক দেশে আর বেশি দিন থাকছি না এ সত্য। আমার মুখ বন্ধ করার ক্ষমতা যদি হয় শ্রাবণ বন্ধ তবে এও সত্য পাল্টা বইমেলা হবে। এই জামান আমার স্টল ২০০৯ সালে একবার বন্ধ করতে চেয়েছিল তখন আমার পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বান্ধবী খ্যাতিমান লেখক বেবি মওদুদ! সেবার বাংলা একাডেমির তথ্য কেন্দ্রে বদরুদ্দীন উমর এর লেখা ড. ইউনূসের দারিদ্র বাণিজ্য বইটির ঘোষণা নিষিদ্ধ করেছিল! এই বুদ্ধিপ্রতিবন্ধি সমাজে আমার লড়াই-সংগ্রাম চলবে।’

LEAVE A REPLY