যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বুশ কন্যা জেনা হ্যাজের ও বারবারা। ২০০৮ সালে হোয়াইট হাউস থেকে বিদায়ের অভিজ্ঞতা আছে তাদের। তাইতো এবার তাদেরকে অগ্রজ হয়ে ওবামা কন্যাদের পরামর্শ দিতে দেখা গেছে।

আর গণাকয়েকদিন পরই শ্বেত প্রাসাদ ছাড়তে হবে প্রেসিডেন্ট ওবামা কন্যা মালিয়া-শাসাদের। এই রাজসিক জীবন থেকে সাধারণ জীবন পরিবর্তনটায় কীভাবে নিজেদের মানিয়ে নেবেন এ বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে চিঠি দিয়েছেন বুশ কন্যারা।

চিঠিতে জেনা ও বারবারা ২০০৮ সালে হোয়াইট হাউস থেকে তাদের বেরোনোর সময়ের এবং ওবামা কন্যাদের প্রবেশের সময়ের স্মৃতিচারণ করে লেখেন, ‘নিজেদের মতো জীবন যাপন করতে শেখো।’ হোয়াইট হাউস পরবর্তী জীবন উপভোগ করার পরামর্শ দিয়ে জেনা ও বারবারা লেখেন, ‘তোমাদের কলেজ জীবন উপভোগ করো। সারাবিশ্ব যেটা জানে, যেভাবে আমরা করেছি। আর পুরো বিশ্বের ভার তোমাদের নিজেদের কাঁধে নেওয়ার দরকার নেই। নিজের ইচ্ছেশক্তির প্রকাশ করো। নিজেকে জানো। ভুল করতেই পারো বয়সের কারণে সেটা হতে পারে। তোমরা তোমাদের সে বন্ধুদের সঙ্গে চলাফেরা করো যারা তোমাকে চেনে, আদর-স্নেহ-যত্ন করে এবং তোমাকে যেকোনো পরিস্থিতিতে আড়াল করবে।’

হোয়াইট হাউস যুগের পর ওবামা কন্যাদের নতুন জীবন শুরু হচ্ছে উল্লেখ করে জেনা ও বারবারা বলেন, “এখন তোমরা সাবেক প্রেসিডেন্টদের সন্তানদের ক্লাবে ঢুকছো- এটা এমন এক জীবন, যেখানে তোমরা কাউকে পরামর্শক হিসেবে পাবে না। কিন্তু তোমাদের অনেক সামনে তাকাতে হবে।”

প্রসঙ্গত, বুশ কন্যা জেনা প্রখ্যাত সংবাদ প্রতিষ্ঠান এনবিসি’র ‘টুডে শো’র করেসপন্ডেন্ট পদে কাজ করছেন। অপর দিকে বারবারা কাজ করছেন বেসরকারি সংস্থা গ্লোবাল হেলথ করপোরেশনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট পদে।

এদিকে, ওবামার ছোট মেয়ে শাশা সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মেসাচুসেটস রাজ্যের একটি রেস্টুরেন্টে কাজ নিয়েছে। তার কাজ রেস্টুরেন্টের ক্যাশ সামলানো। খদ্দেরদের কাছ থেকে খাবারের বিল নেওয়া তার কাজ। মালিয়াও বসে নেই। সেও একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ সংস্থায় দু দুটো ইন্টার্নশিপ কাজ করছে।

LEAVE A REPLY