বড় ধরনের বিক্ষোভের প্রস্তুতির পাশাপাশি বেশ কিছু কংগ্রেসম্যানও ডোনাল্ড ট্রাম্পের শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান বর্জনের ঘোষণা দিলেন। এরা সকলেই ডেমক্র্যাটিক পার্টির সদস্য এবং অনেকে এর আগে রিপাবলিকান জর্জ বুশের শপথ অনুষ্ঠানে যোগদান করেছিলেন। ২০ জানুয়ারি ক্যাপিটল হিলে শপথ নেবেন ৪৫তম প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
‘নারীদের সম্পর্কে কটু মন্তব্য, মুসলমানদের নিষিদ্ধ, অবৈধ ইমিগ্র্যান্টদের ঢালাওভাবে বহিষ্কার, মেক্সিকানদের ধর্ষক ও মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে অভিহিত করা এবং চলাচলে অক্ষম এক সাংবাদিকের সাথে দুর্ব্যবহারকারি ব্যক্তিকে হোয়াইট হাউজে স্বাগত জানাতে বিবেক সায় দিচ্ছে না’-এমন অভিমত পোষণ করেছেন বর্জনকারিরা। ক্যালিফোর্নিয়ার কংগ্রেসওম্যান বারবারা লী বলেন, ‘যিনি বর্ণবাদ, লিঙ্গবাদ, বিদেশী নাগরিক এবং ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করেন, তার মত লোককে সম্মান জানানো সম্ভব নয়। এমনকি তিনি প্রেসিডেন্ট হয়েছেন বলে উল্লাসও করতে পারবো না।’ লী উল্লেখ করেন, ‘আমি ক্যাপিটল হিলে থাকবো ট্রাম্প বিরোধী বিক্ষোভকারিদের পাশে।’ একই মত দিয়েছেন ইলিনয়ের কংগ্রেসম্যান লুইস গুটিরেজ। শপথ গ্রহণের পরদিন ক্যাপিটল হিলে নারী সমাবেশেও থাকবেন তারা।
‘নারীকে শূকর, ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের সন্ত্রাসী এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে যুদ্ধে গিয়ে জীবন উৎসর্গকারি সৈন্যের মা-বাবাকে আক্রমণ করে বক্তব্য প্রদান করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেমন ব্যক্তিকে স্বাগত জানানোর ন্যূনতম আগ্রহ নেই আমার’- বলেন নিউইয়র্কের কংগ্রেসওম্যান ইভ্যাটি ডি কার্ক।
ক্যালিফোর্নিয়ার কংগ্রেসম্যান জেয়ার্ড হাফম্যান, ম্যাসেচুসেট্্স’র কংগ্রেসম্যান কেথারিন কার্ক, আরিজোনার কংগ্রেসম্যান রাউল গ্রিজালভা, ক্যালিফোর্নিয়ার কংগ্রেসম্যান মার্ক ডিসোলনিয়ার, জর্জিয়ার কংগ্রেসম্যান জন লুইস, মিশিগানের কংগ্রেসম্যান জন কনিয়ার্স, ক্যালিফোর্নিয়ার কংগ্রেসম্যান টেড লু, ওরেগণের কংগ্রেসম্যান আলূ ব্লুমেনার, মিজৌরির কংগ্রেসম্যান ল্যাসি কে, ওরেগণের কংগ্রেসম্যান কার্ট ¯্র্যাডার, ক্যালিফোর্নিয়ার কংগ্রেসম্যান মার্ক টাকানো, নিউইয়র্কের কংগ্রেসওম্যান নিদিয়া ভ্যালেস্কুয়েজ। শপথের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে বর্জনকারির সংখ্যা।

LEAVE A REPLY